আমরা শুধু একটি বেটিং ওয়েবসাইট নই। j10ce হলো বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমী, ফুটবলভক্ত ও স্পোর্টস-উৎসাহী মানুষদের জন্য একটি বিশ্বস্ত সঙ্গী – যেখানে নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা ও মজা একসাথে পাওয়া যায়।
আমাদের দর্শন
j10ce কেন তৈরি হয়েছে এবং আমরা কোথায় যেতে চাই
বাংলাদেশের প্রতিটি স্পোর্টস-ভক্তকে একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দময় বেটিং অভিজ্ঞতা দেওয়া। j10ce বিশ্বাস করে যে বেটিং হওয়া উচিত দায়িত্বশীল বিনোদন – ভয়ের নয়, আনন্দের বিষয়।
২০৩০ সালের মধ্যে j10ce-কে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও ব্যবহারকারী-বান্ধব বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। প্রযুক্তি ও মানবিক স্পর্শের মিলনে এক অনন্য বেটিং সংস্কৃতি গড়ে তোলা।
j10ce প্রতিশ্রুতি দেয় যে প্রতিটি সদস্যের তথ্য সুরক্ষিত থাকবে, পেমেন্ট সময়মতো হবে এবং যেকোনো সমস্যায় বাংলায় সাহায্য পাওয়া যাবে। আমাদের সদস্যরাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
আমাদের গল্প
২০২১ সালের কথা। বাংলাদেশে অনলাইন বেটিংয়ের চাহিদা বাড়ছিল, কিন্তু বাংলাদেশি মানুষের কথা মাথায় রেখে কেউ কাজ করছিল না। বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ছিল ইংরেজিতে, পেমেন্ট ব্যবস্থা ছিল জটিল এবং সাপোর্ট পাওয়া ছিল আরও কঠিন।
এই শূন্যতা পূরণ করতেই জন্ম নিয়েছিল j10ce। একদল প্রযুক্তিপ্রেমী ও স্পোর্টস-ভক্ত মানুষ মিলে সিদ্ধান্ত নিলেন – বাংলাদেশের মানুষের জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে হবে যেখানে ভাষার বাধা নেই, পেমেন্টের ঝামেলা নেই এবং আস্থার কোনো সংকট নেই।
শুরুতে দলটি ছোট ছিল, কিন্তু স্বপ্ন ছিল বড়। bKash এবং Nagad-এর মাধ্যমে সহজ লেনদেন, বাংলায় কাস্টমার সার্ভিস এবং ক্রিকেটে বিশেষ মনোযোগ – এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্রে রেখে j10ce গড়ে উঠল। প্রথম বছরেই ৫০,০০০-এর বেশি মানুষ j10ce-এ নিবন্ধন করেছিলেন।
বিশ্বাস একদিনে তৈরি হয় না। j10ce জানত এটা। তাই প্রতিটি পেমেন্ট সময়মতো করা, প্রতিটি অভিযোগে দ্রুত সাড়া দেওয়া এবং কোনো লুকানো শর্ত না রাখার নীতি মেনে চলা হয়েছে শুরু থেকেই। আজ যখন আমাদের ৫ লক্ষের বেশি সদস্য আছেন, তখন আমরা গর্বের সাথে বলতে পারি – এই বিশ্বাস অর্জিত হয়েছে পরিশ্রম দিয়ে।
j10ce-এর প্রতিটি আপডেট, প্রতিটি নতুন ফিচার আসে সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে। আমরা বিশ্বাস করি যে একটি প্ল্যাটফর্ম তখনই সেরা হয় যখন সে তার ব্যবহারকারীদের কথা সত্যিকারের মনোযোগ দিয়ে শোনে।
আমাদের বৈশিষ্ট্য
প্রতিটি বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়েছে বাংলাদেশি বেটারদের কথা মাথায় রেখে
j10ce-এর ইন্টারফেস, কাস্টমার সাপোর্ট এবং টিপস সম্পূর্ণ বাংলায়। বাংলা পড়তে ও বুঝতে পারলেই j10ce ব্যবহার করতে পারবেন – ইংরেজি জানার দরকার নেই।
বাংলাদেশ বিশেষbKash, Nagad, Rocket – বাংলাদেশের সব জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে সহজে ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল। সর্বনিম্ন ১০০ টাকা থেকে শুরু, কোনো লুকানো চার্জ নেই।
তাৎক্ষণিক লেনদেনবাংলাদেশের ম্যাচ থেকে IPL, T20 বিশ্বকাপ – j10ce-এ ক্রিকেটের প্রতিটি বাজারে সেরা অডস পাওয়া যায়। লাইভ ম্যাচে প্রতি বলে বেটের সুবিধা এখানে অনন্য।
৩২০+ ম্যাচ/মাসেSSL এনক্রিপশন, দ্বিস্তরীয় যাচাইকরণ ও আন্তর্জাতিক লাইসেন্স – j10ce-এ আপনার তথ্য ও অর্থ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। চার বছরে কোনো নিরাপত্তা ঘটনা ঘটেনি।
আন্তর্জাতিক মানরাত তিনটায় কোনো সমস্যা হলেও j10ce-এর বাংলা সাপোর্ট টিম আপনার পাশে থাকবে। লাইভ চ্যাটে গড়ে ২ মিনিটেই উত্তর পাবেন।
গড় ২ মিনিট সাড়াসিলভার থেকে ডায়মন্ড – j10ce-এর ৫ স্তরের ভিআইপি প্রোগ্রামে যত বেশি খেলবেন তত বেশি সুবিধা পাবেন। সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক, ব্যক্তিগত ম্যানেজার ও জন্মদিনের উপহার।
২৫% পর্যন্ত ক্যাশব্যাকআমাদের যাত্রাপথ
চার বছরে j10ce একটি ছোট উদ্যোগ থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে আলোচিত বেটিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। এই যাত্রায় আমাদের সদস্যরাই ছিলেন মূল অনুপ্রেরণা।
একদল স্বপ্নবাজ মানুষ মিলে j10ce প্রতিষ্ঠা করেন। bKash পেমেন্ট ও বাংলা সাপোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু। প্রথম মাসেই ৫,০০০ সদস্য।
লাইভ ইন-প্লে বেটিং ও ক্যাসিনো বিভাগ যুক্ত হলো। Nagad ও Rocket পেমেন্ট যোগ হওয়ায় সদস্য সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়িয়ে গেল।
৫ স্তরের ভিআইপি প্রোগ্রাম চালু হলো। মোবাইল ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ নতুন করে তৈরি করা হলো। সদস্য সংখ্যা ২ লক্ষ ৫০ হাজার।
বিশেষজ্ঞ টিপস, ডেটা বিশ্লেষণ বিভাগ এবং ক্যাশআউট ফিচার যুক্ত হলো। সদস্য সংখ্যা ৪ লক্ষ ছাড়িয়ে গেল।
j10ce এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল বেটিং প্ল্যাটফর্ম। ৫ লক্ষের বেশি সদস্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার সেরা প্ল্যাটফর্ম হওয়ার পথে।
আমাদের দল
আমাদের বিশেষজ্ঞ দল প্রতিদিন আপনার অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করার কাজ করে
১০ বছরের ফিনটেক ও গেমিং শিল্পের অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরে কাজ করেছেন। j10ce-এর স্বপ্নের পেছনে তার দৃষ্টিভঙ্গি।
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বুয়েট ও কর্নেল থেকে ডিগ্রিধারী। j10ce-এর প্রযুক্তি অবকাঠামো তার নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে।
প্রাক্তন জাতীয় দলের প্রশিক্ষণ সহকারী। ১৫ বছরের ক্রিকেট বিশ্লেষণের অভিজ্ঞতা। j10ce-এর ক্রিকেট টিপস বিভাগ তার তত্ত্বাবধানে।
৮ বছরের কাস্টমার সার্ভিস অভিজ্ঞতা। j10ce-এর বাংলা সাপোর্ট টিম গড়ে তুলেছেন এবং ২ মিনিটের প্রতিক্রিয়া সময়ের মান নিশ্চিত করেন।
মূল মূল্যবোধ
j10ce-এর প্রতিটি সিদ্ধান্ত, প্রতিটি নীতি এই মূল্যবোধগুলোর উপর দাঁড়িয়ে আছে। এগুলো শুধু কথার কথা নয় – আমাদের প্রতিদিনের কাজে এগুলো প্রতিফলিত হয়।
j10ce-এ কোনো লুকানো শর্ত নেই। প্রতিটি বোনাসের শর্ত স্পষ্টভাবে বাংলায় লেখা থাকে। অডস নির্ধারণের পদ্ধতি সৎ এবং বাজার-সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বেটিং বিনোদন হওয়া উচিত, আসক্তি নয়। j10ce-এ স্ব-বর্জন, বাজেট নিয়ন্ত্রণ ও সীমা নির্ধারণের সুবিধা আছে। আমরা দায়িত্বশীল বেটিং সংস্কৃতি গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রযুক্তি দ্রুত বদলায়, j10ce সেই সাথে বদলায়। প্রতি মাসে নতুন ফিচার, উন্নত মোবাইল অভিজ্ঞতা এবং নতুন পেমেন্ট সুবিধা যোগ করা আমাদের অভ্যাস।
j10ce শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি একটি সম্প্রদায়। আমাদের সদস্যরা পরস্পরের সাথে সংযুক্ত, টিপস শেয়ার করেন এবং একসাথে বেটিং উপভোগ করেন।
বিশ্বাসের ভিত্তি
j10ce-এর নিরাপত্তা ও বিশ্বস্ততার সুনির্দিষ্ট কারণগুলো
j10ce আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিয়ন্ত্রক সংস্থার লাইসেন্সপ্রাপ্ত। আইনগত ও নৈতিক কার্যক্রম নিশ্চিত।
ব্যাংকিং মানের নিরাপত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে আপনার সব তথ্য সুরক্ষিত রাখা হয়।
সদস্যদের জমা অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা অ্যাকাউন্টে রাখা হয়। কোনো পরিস্থিতিতেও পেমেন্ট বন্ধ হয় না।
পরিচয় যাচাইকরণ প্রক্রিয়া প্রতারণা ও মানি লন্ডারিং রোধ করে। সকল সদস্যের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত।
২০২১ থেকে একটানা নিরবচ্ছিন্ন সেবা। কোনো বড় প্রযুক্তিগত ব্যর্থতা বা পেমেন্ট বিলম্বের ঘটনা নেই।
স্ব-বর্জন, ডিপোজিট সীমা ও সেশন সময়সীমার সুবিধা। সদস্যের কল্যাণ j10ce-এর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
সাধারণ প্রশ্ন
আমাদের সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নের উত্তর
আমাদের পরিবারে স্বাগতম
বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বেটিং প্ল্যাটফর্মে আজই যোগ দিন। নিবন্ধন করুন, ওয়েলকাম বোনাস নিন এবং নিরাপদে বেটিং উপভোগ করুন।
বয়স ১৮+ | আন্তর্জাতিক লাইসেন্সপ্রাপ্ত | দায়িত্বশীলভাবে খেলুন